Subcribe to our RSS feeds Join Us on Facebook Follow us on Twitter Add to Circles

About

ভূমিকা

ভূমিকা

উপস্থাপনায়

উপস্থাপনায় সোমনাথ, নির্জন, সৌরদীপ, পরাগ ও প্রসেনজিৎ
বেশ কিছু লিংক কাজ করছে না। আস্তে আস্তে ঠিক করা হচ্ছে। অনুগ্রহ করে সপ্তাহখানেক ধৈর্য রাখুন আর সঙ্গে থেকে সহযোগিতা করুন। ডেড লিংক রিপোর্ট করার দরকার নেই, আমরা জানি কোন কোন লিংক কাজ করছে না। সব ঠিক হয়ে যাবে শিগ্‌গিরই।

Random Posts

Mr. Arun Som's request

Mr. Arun Som's request

ঘোষণা

১লা জানুয়ারি, ২০১৬ থেকে আবার এই ব্লগের সমস্ত বই সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হল। একান্ত চেনা সোভিয়েত বইপ্রেমীদের মধ্যে নিরাপদ বন্টনের জন্য দাদুর দস্তানা নামে যে আলাদা গ্রুপ তৈরি করা হয়েছিল তারও আর কোনো প্রয়োজন থাকছে না, আপাতত। এই ব্লগের নাম, লিংক, বই যেখানে খুশি শেয়ার করুন, খুশিই হব। শুধু মনে রাখবেন, বইগুলো তৈরির পিছনে যাদের নিষ্ঠা-শ্রম-সময়-স্বেদ-ভালোবাসা রয়েছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকারও একই সঙ্গে করবেন। যিনি বই ধার দিলেন, যিনি স্ক্যান করলেন, যিনি প্রসেস করলেন তাদের নাম উল্লেখ না করে, আমাদের ব্লগের নাম উল্লেখ না করে বইগুলো নিজেদের কৃতিত্ব বলে দাবি করলে আবার বিধি নিষেধের আড়ালে চলে যাবে সকলের প্রিয় এই বইগুলো ও ভবিষ্যতে লভ্য সমাধিক বাংলা সোভিয়েত বই।

শিশুপাঠ্য ছবির বইগুলো রঙিন প্রিন্ট নিয়ে আপনার বাড়ির বা পরিচিত বাচ্চাদের হাতে দিলে আমাদের প্রয়াস সার্থক হবে। ডাউনলোডের আগে পরে ব্লগের পোস্টে মন্তব্য করলে আমরা উৎসাহ পাবো।

কল্পতরু - কর্নেই চুকোভস্কি (অনু: ননী ভৌমিক)













অনুবাদ : ননী ভৌমিক

প্রকাশনা : রাদুগা প্রকাশন, মস্কো 
প্রকাশ কাল : রাদুগা ১৯৮৩
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৬৮
  আয়তন : ১২৬ মে. বা.



কৃতজ্ঞতা স্বীকার 
ধার দিয়েছেন : রাজর্ষি সেনগুপ্ত, পূর্ণা চক্রবর্তী (মলাট)
স্ক্যান করেছেন : সোমনাথ দাশগুপ্ত, পূর্ণা চক্রবর্তী (মলাট)
প্রসেস এবং হাইপারলিঙ্ক তৈরি করেছেন : নির্জন সেন

7 comments:

সোমনাথ দাশগুপ্ত said...

এই সেই কৃষ্ণচূড়া, অর্থাৎ কভার। বাব্বা, কম ঝক্কি গেছে?

বইটা স্ক্যান করা ছিল তা প্রায় এক বছরের বেশি সময় আগে। তারপর অন্য এক বন্ধু অন্যত্র এই বইটাই স্ক্যান প্রসেস করে রিলিজ করলেন, যার প্রসেসিং মোটেও পছন্দ হল না। আসলে এটা খুব প্রিয় বই আমাদের বড়ির সকলের। আমার মেয়ে তো এক সময় এই উহ্‌-মরিগো আক্তারের ছড়া শুনে শুনেই ভাত খেতো শুধু। যে কোন সময় তার কান্না থামাতে সেই ডাক্তারের গল্পই ছিল যাদুমন্ত্র। কোনো দীর্ঘ দূরযাত্রায়, বা টিভি-অনুমতিহীন তার গুন্ডামীর সন্ধ্যায় আমাদের ত্রাতা এক এবং একমাত্র দরদী সেই ডাক্তার। এর গল্প শুরু হলেই মেয়ে এক্কেবারে লক্ষ্মীছানা। অথচ একবার প্রসেস হয়ে যাওয়া বই কে নিয়ে আবার প্রসেস করতে বসলে এক তো, প্রথম রিলিজারটি ডিমরালাইজড হতে পারেন, দ্বিতীয়তঃ অন্যান্য প্রসেস না হওয়া স্ক্যান হওয়া বইয়ের ঢিপি অনুযোগ জানাতে পারে। ফলে এই সুদীর্ঘ এক বছরের ও বেশি সময়ের প্রতীক্ষা। নির্জন সেন কে এই বইটি প্রসেসিং এ অগ্রাধিকার দেওয়ার অনুরোধ বেশ খানিকটা নিজের কোলে ঝোল টেনে পরিবারের মুখ চেয়েই, সে কথা অস্বীকার করা উচিত হবে না। কিন্তু সমস্যা হল কাজ শুরু করার কিছুদিনের মধ্যেই নির্জন জানালেন, কভারের বেশ খানিকটা ছেঁড়া রয়েছে আমার স্ক্যান করা বইতে, যা শুধু প্রসেসিং এর মাধ্যমে সারানো সম্ভব নয়, আরেকটি আস্ত কভার লাগবেই।

সামলাও এবার। পূর্ণা দি র কাছে বইটা খুব ভালো অবস্থায় আছে জানি কিন্তু আবার কলকাতার একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে (শহরের হিসেবে নয় বৃহত্তর কলকাতা অর্থে পিনকোডের হিসেবে তিন ঘন্টার যাওয়া তিন ঘন্টার ফেরা ) একটা বইয়ের একটা মলাটের জন্য পাড়ি দেওয়া তো ভারি সমস্যার। কি করা যায়? পূর্ণাদিকে ফেসবুকে ধরা গেল, তখন রাত গভীর, আর পরদিন শহরে লোকসভা নির্বাচন। দিদি নির্ঘুম রাত কাটিয়ে পরদিন ভোট দেওয়ার প্রস্তুতিতে ফেসবুকের ফোরামে গুছিয়ে বসেছেন নিচতলার ল্যাপটপে। তাকে সেই অত রাতে দোতলায় তুলে কম্পিউটার চালু করে স্ক্যানার কানেক্ট করিয়ে স্ক্যান করানো চাট্টিখানি কথা? যাইহোক, শেষ পর্যন্ত দেখা গেল, কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প নেই। রাত প্রায় আড়াইটায় স্ক্যান হল, এবার আপলোড হবে কোথায়? দিদি গেছেন গুগুল ড্রাইভের পাসওয়ার্ড ভুলে, তুললেন ফেসবুকে, আর যেমন হয় ফেসবুক সেই কভার স্ক্যানের সাতাশ এম বি সাইজের এক একটি ফাইলকে বানাল আড়াইশ কেবি র এক একটি ফাইল। এবার ? সেতো প্রসেস করার মতন নয়।

অতঃপর, পরদিন ভোট দিয়ে এসে ঘুমিয়ে বিকেলে গুগুলড্রাইভের চাবি খুঁজে সেখানে আপলোড হল মলাট, আর নির্জন সেন অবশেষ জুড়ে দিতে পারলেন মলাটের ছিঁড়ে যাওয়া অংশটি। বোঝা যাওয়ার তো প্রশ্নই নেই, বরং এই বই আজ ব্লগে রিলিজ হওয়ার পর, আমার বাড়িতে যে কি পরিমাণ সাড়া পড়ে গেছে, ভাবতে পারছেন? ঘুম থেকে উঠে মেয়ে যখন ল্যাপটপের স্ক্রীণে আবিষ্কার করল উহ্‌-মরিগো ডাক্তারকে, তার অভিব্যক্তি ভাবতে পারছেন? ধন্যবাদ নির্জন সেন, ধন্যবাদ পূর্ণাদি - আমাদের সবার তরফ থেকে।

Nirjon Sen said...

আপনাদের সকলের এমন করে চাওয়ার মর্যাদা রাখতে পারলেই খুশি হব। সোমনাথদাদাকে ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি লেখা লিখে দেওয়ার জন্য।

ফারাবী said...

ছোটবেলায় এগুলো কিছুই পাইনি, এখন তাই বেশি বেশি করে পড়ে পুষিয়ে নিতে হয় দেখছি :D ছবিগুলো দেখেই ত লালা ঝরছে!

Samir Kumar Biswas said...

আপনাদের গোটা টীমটার কাছে আমাদের সবার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই । আপনারা যে বিপুল পরিশ্রম করছেন "সময়" একদিন ঠিক তার দাম (টাকা-পয়সা অর্থে নয় ।) দেবে - এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস । আপনাদের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি ।

কুন্তল‏ - from প্লানেট আর্থ said...

'সোভিয়েত দেশ' বলে এক রাশিয়ান ম্যাগাজিন (বাংলায় অনুদিত) প্রকাশিত হতো সত্তর-আশির দশকে - আমরা তার মেম্বারশিপ নিয়েছিলাম। সেইসব বইয়ের গল্পের মান তো বটেই, পাতার কোয়ালিটিও ছিলো দেখার মতো। অনেক সময়ই বই-খাতার মলাটের জন্যে সেগুলো যত্ন করে রেখে দেওয়া হতো। কারোর কাছে কি আছে সেই পুরানো ম্যাগাজিনের কোনো সংখ্যা ?

সোমনাথ দাশগুপ্ত said...

কিছু সোভিয়েত নারী, সোভিয়েত দেশ ও সোভিয়েত ইউনিয়ন পাওয়া গেছে। তবে আমাদের লক্ষ্য সমস্ত যোগাড় করা ও আর্কাইভ করা। যদি কারো কাছে বা পরিচিত কারোর কাছে একটি ও এই সমস্ত ম্যাগাজিন থাকে অবশ্যই জানাবেন। ইতিমধ্যে দুটি সোভিয়েত নারী রিলিজ করা হয়েছে।

Chaity Rahman said...

বইটা নামাতে পারছি না। এরর দেখাচ্ছে।
এই বইটা ছিল আমার ইংরেজিতে। আমি আমার বাবার কাছে ঘ্যানঘ্যান করতেই থাকতাম যে সে যেন বাংলাটা এনে দেয়। কারণ বাবাই আমাকে বলত, '' ক্রিং ক্রিং টেলিফোন হ্যালো হ্যালো হ্যালো... কে তুমি কাকে চাও বলো বলো বলো...!' কোত্থেকে যেন একটা বিশ্বাস তৈরি হয়ে গেছিলো যে সব বইয়ের বাংলা একটা কপি আছে আর বাবার আছে যাদুবিদ্যা! এখন দেখছি সত্যি সত্যি একটা কল্পতরু ! আমার চোখ রসগোল্লার মতন দেখাচ্ছে নির্ঘাত !

Navigator